হুয়াওয়ের প্রতিবাদ
একটি জাতীয় দৈনিকের ছাপা ও অনলাইনে প্রকাশিত “টেলিটক-হুয়াওয়ে প্রকল্প : ২০ কোটি টাকা ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ” শীর্ষক সংবাদের ব্যাখ্যা দিয়েছে হুয়াওয়ে বাংলাদেশ। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো একটি প্রতিবাদে এই প্রতিবাদ লিপিতে নিজেদের যুক্তি তুলে ধরেছে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রতিবেদনটি ‘একটি অভিযোগের ওপর নির্ভর করে করা হয়েছে’ দাবি করে সংবাদটি ‘মিথ্যা অভিযোগ’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, অভিযোগকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশন ‘ভূঁইফোড়’। সেই একই কারণে কোনো প্রমাণ প্রকাশ ও যাচাই করা হয়নি। অন্যদিকে যে প্রকল্পের কথা ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে তার সাথে অভিযোগকারী বা তার সংগঠনের কোনো রকম সংশ্লিষ্টতা বা তথ্য যাচাইয়ের সুযোগ নেই। কাজেই এটা পুরোপুরি কল্পনাপ্রসূত মিথ্যা অভিযোগ।
প্রতিবাদ লিপিতে অভিযোগকারীর ’জ্ঞানের স্বল্পতা’ রয়েছে বলে মনে করে চীনা এই টেক জায়ান্ট। বলা হয়েছে, যে প্রযুক্তি এই দরপত্রে চাওয়া হয়েছে হুয়াওয়ে সেই প্রযুক্তি সরবরাহ করছে এবং ইতোমধ্যেই টেলিটকের এক হাজারেরও বেশি বেইস ট্রান্সিভার স্টেশনে এই প্রযুক্তি সরবরাহ করেছে যার ফলে টেলিটকের সেবার মান উন্নত হয়েছে। অন্যদিকে এই প্রযুক্তি বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও সুনামের সাথে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
এছাড়াও সংবাদের শিরোনামটি ‘বিভ্রান্তিকর’ দাবি করে বলা হয়েছে এর যথোপোযুক্ত শিরোনামে হতে পারত “বিভ্রান্তিকর অভিযোগ দিয়ে হুয়াওয়ের মানহানির চেষ্টা”।
হুয়াওয়ের জিরো টলারেন্স নীতির কথা উল্লেখ করা আরো বলা হয়েছে, ‘হুয়াওয়ের সর্বদা ব্যবসায়িক স্বচ্ছতা-সততা ও নৈতিকতা নিশ্চিত করে থাকে এবং এক্ষেত্রে হুয়াওয়ে জিরো টলারেন্স নীতি প্রয়োগ করে থাকে। পাশাপাশি যেসব দেশে হুয়াওয়ে ব্যবসা করছে সেখানকার স্থানীয় আইন ও নীতিমালা হুয়াওয়ে কঠোরভাবে মেনে চলে। কাজেই ঘুষ লেনদেনের মতো অনৈতিক ও গর্হিত কাজে হুয়াওয়ের কোনো রকম সম্পৃক্ততা থাকার কোনো সুযোগ নেই।’







